logo

Recent News:

প্রতিষ্ঠান ইতিহাস

নাঙ্গলকোট হাছান মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৩ সালে অনেক চড়াই, উৎরাই এর মধ্যে দিয়ে নাঙ্গলকোট কলেজ নামে শুরুহয়। প্রথমে কলেজটি মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিশেষ অনুমতি নিয়ে শুরুকরেন নাঙ্গলকোট এ.আর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবদুল গফুর বি.এস.সি। তিনি যোগ্যতা না থাকা সত্বেও নামে মাত্র দায়িত্ব পালন করেন। কয়েক বছর গুনবতী কলেজের মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে। অনিয়ম ও অদক্ষতার কারনে কলেজটি ৪ বছর বন্ধ অবস্থায় থাকে। গুরুতে যারা ছিলেন তারা হলেন, এ.কে.এম রফিকুজ্জামান, আবদুর রউফ, মাস্টার আলী আশ্রাফ, জাকের হোসেন, ইসহাক মিয়া সহ এলাকার অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ।

            বন্ধ তাকা কালীন অবস্থায় কলেজের এই ক্রান্তিকালে ১৯৮৪ সালে এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ডা.এ.কে.এম কামারুজ্জামান তার হাল ধরেন। শিক্ষক বেতন, অবকাঠামোর পরিবর্তন, লাইব্রেরী, বিজ্ঞানাগার তৈরীকরতে এবং এলাকার শিক্ষার আলোকে ছড়ানোর জন্য ‘জামান’ লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করেন। ১৯৮৪ সালে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়াারম্যান জানুয়ারি মাসে কলেজটি পরিদর্শন করেন ডা.এ.কে.এম কামারুজ্জমান এর একান্ত প্রচেষ্টা, নিরলস পরিশ্রম ও সহযোগিতা ১৯৮৪ সাল তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রী নাঙ্গলকোট এসে ৯ ই ফেব্রুয়অরি কলেজটি “নাঙ্গলকোট হাছান মেমোরিয়াল উচ্চমাধ্যমিক কলেজ নামে” ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন । ১৯৮৪ সালে ডা.এ.কে.এম কামারূজ্জামান কলেজের সভঅপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহন করেন। ১৯৮৪-৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি শিক্ষকদের বেতন সহ অন্যান্য ব্যয় মিটাতে অনেক টাকা ব্যয় করেন। ১৯৮৮ সালের ৩০ শে জুন কলেজটি এম.পি.ও বূক্ত হয়। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কামারুজ্জকমানকে স্বীকৃতি গেওয়া হয়। তারই প্রচেষ্টা ১৯৯৩ সালে কলেজটি ডিগ্রি কলেজে রূপান্তরিত হয়।

            ৯০ এর পর মহাবিদ্যালয়ের অবকাঠামোর উন্নয়ন শুরুহয়। মহাবিদ্যলয়র শিক্ষাদানের ক্ষত্রে সুষ্ট পরিবেশ গড়ে উঠে। শিক্ষকদের প্রচেষ্টা ১৯৯১ হতে ২০০৩ সাল পর্যন্ত প্রতিবারই মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীরা কৃতিত্বের পরিচয় দেয়। উপজেলা, জেলা বিভাগীয় পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা সুনাম অর্জন করতে থাকে উপজেলা থেকে শ্রেষ্ঠ মহাবিদ্যাল হিসেবে কয়েক বার পুরষকৃত করা হয় ।

            বর্তমানে মহাবিদ্যালয় উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ৪০০ জন ছাত্র/ছাত্রী ডিগ্রিতে ৮০০ ছাত্র/ছাত্রী রয়েছে। শিক্ষা পদ্ধতির ক্ষেত্রে ব্যকপক পরিবর্তন করা হয়েছে। নিয়মিত ক্লাস নেওয়া, অংশ গ্রহনমূলক শিক্ষ দান, প্রতিমাসে ক্লস ইনকোর্স পরীক্ষা নেওয়া মোবাইলে মাধ্যমে ছাত্র/ছাত্রী এবং অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। বোর্ড/জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার পূর্বে মডেল টেস্ট নেওয়া এবং ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য আবাসিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠাতা ডা.এ.কে.এম. কামারুজ্জামান এর প্রচেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রূপান্তর, বিজ্ঞানাগার উন্নয়ন, শিক্ষার উন্নয়ন, লাব্রেরীর উন্নয়ন সহ অনেক নতুন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।